1. editor@munshiganjsangbad.com : editor :
  2. kaium07bics@gmail.com : madmin :
July 24, 2026, 4:12 am
শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের সভা টঙ্গীবাড়ীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও প্রদর্শন: মুন্সীগঞ্জে ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মুন্সীগঞ্জে ১১ মামলার আসামি শামীম হাওলাদার ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সরকারি হরগঙ্গা কলেজে লিফটে আটকা পড়া মা ও শিশুকন্যাকে অক্ষত উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে আন্তঃক্লাস ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শ্রীনগরে চোরাই গরু উদ্ধার, আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার চর মুক্তারপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার শালিসকারীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার হলো হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি শ্রীনগরে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় অগ্নিকাণ্ড এড়ানো গেল

‘ক্ষুধার চেয়ে করোনা ভালো’

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, June 28, 2020,
  • 493 Time View

করোনাভাইরাস মহামারি প্রতিরোধে বেসামাল হয়ে পড়েছে ভারত। তারপরও কর্মহীনরা পেটের টানে ফিরছেন কর্মস্থলে। উত্তর প্রদেশের ৩০ লাখের বেশি অভিবাসী শ্রমিকরা লকডাউনের মধ্যেই কাজে ফিরছেন। তাদের কাছে ক্ষুধায় মরার চেয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ভালো। দেওরিয়া থেকে গোরক্ষপুর রেলওয়ে জংশনের বাস ধরার পথে সরকারি বাসস্ট্যান্ডে এমন কথাই বললেন শ্রমিকরা।

গোরক্ষপুর থেকে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের বিশেষ ট্রেন চালু আছে। সেই ট্রেনে চড়তেই বাসের অপেক্ষায় দিবাকর প্রসাদ ও খুরশীদ আনসারি। মুম্বাইয়ে কাপড়ের বড় এক ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন খুরশীদ। তার কারখানা এখনও বন্ধ। এক মাস আগে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। বাসে ওঠার আগে খুরশীদ এনডিটিভিকে বললেন, ‘উত্তর প্রদেশে যদি কাজ থাকতো, আমি ফিরে যেতাম না। আমার কোম্পানি এখনও চালু হয়নি। কিন্তু আমি ফিরে যাচ্ছি, কোনও একটা কাজ খুঁজে নেবো। ক্ষুধার চেয়ে করোনা ভালো। করোনাভাইরাসে আমার সন্তানদের মৃত্যুর চেয়ে আমার মরা ভালো।’

কলকাতার একটি কোম্পানির টেকনিশিয়ান দিবাকর। হলি উদযাপনের জন্য বাড়ি ফিরেছিলেন কিন্তু লকডাউনে আটকে পড়েন উত্তর প্রদেশে। তার কোম্পানি খুলেছে। পাঁচ সন্তান ও এক স্ত্রীসহ ৭ জনের পরিবারের খাওয়া-পড়ার ব্যবস্থা করতে ফিরে যাচ্ছেন। দিবাকর বলেছেন, ‘আমি ভীত কিন্তু এখানে থাকতেও আতঙ্ক ঘিরে ধরছে। আমি খাবো কী, আর আমার পরিবারকে খাওয়াবো কী?’

দিবাকর-খুরশীদরা কাজে ফিরে যাচ্ছেন। যদিও মনরেগা প্রকল্পের অধীনে উত্তর প্রদেশে ফেরা শ্রমিকদের কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্পে প্রায় ৬০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে শনিবার রাজ্য সরকার দাবি করেছে। তারপরও দিল্লি, মুম্বাইয়ে ফিরছে লাখ লাখ শ্রমিক।

সরকারের এই প্রতিশ্রুতি দূরবর্তী অঞ্চলে পৌঁছায়নি বললেন এসি টেকনিশিয়ান মোহাম্মদ আবিদ, ‘মুম্বাইয়ে অনেক টাকা। এখানে এত টাকা পাবো না। যদি কোনও প্রকল্প নেওয়াও হয়, সেগুলো আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। মনে হচ্ছে বেকার হয়ে আছি। এখানে কোনও কাজ নেই। যার কাছেই যান, শুনতে হবে কাজ নেই।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের পত্রিকা

[foogallery id=”8441″]

© All rights reserved © 2025