মুন্সীগঞ্জে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪’-এর ন্যাশনাল রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন, জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শারমিন করিমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক দেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থনৈতিক শুমারির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এ সময় জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জাতীয় পর্যায়ে কৃষিখাত ব্যতীত অন্যান্য খাতের অর্থনৈতিক শুমারির বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন।
উপস্থাপিত তথ্যে দেখা যায়, জাতীয় পর্যায়ে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলায় অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৯৪৪টি। জেলার স্থায়ী ইউনিট ৫৭ হাজার ৭৭টি, অস্থায়ী ইউনিট ৪ হাজার ৮০৬টি এবং অর্থনৈতিক গৃহস্থালি ৪০ হাজার ৬১টি।
এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে মোট নিয়োজিত জনবল (TPE) ৩ কোটি ৬ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন। মুন্সীগঞ্জ জেলায় মোট নিয়োজিত জনবল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৭ জন, যার মধ্যে স্থায়ী ইউনিটে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৬০ জন, অস্থায়ী ইউনিটে ৬ হাজার ১৮১ জন এবং অর্থনৈতিক গৃহস্থালিতে ৪৯ হাজার ৭৮৬ জন কর্মরত রয়েছেন।
সেমিনারে জানানো হয়, অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর তথ্য দেশের পাশাপাশি জেলার অর্থনৈতিক কাঠামো, কর্মসংস্থান পরিস্থিতি এবং খাতভিত্তিক কার্যক্রম সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।