মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের জন্য ২৭ জন সরকারি আইনজীবীর নতুন প্যানেল ঘোষণা করেছে সরকার। পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল সরকারি আইনজীবীর নিয়োগাদেশ বাতিল করে নতুনভাবে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গত ২৮ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন।
নতুন নিয়োগ অনুযায়ী, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. জাকারিয়া মোল্লা এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হয়েছেন অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া সরদার।
এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (এসপিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঢালী এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম।
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট নাসিম আখতার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ইকো, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট সুলতানা রোজিনা ইয়াসমিন এবং অ্যাডভোকেট মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া।
অতিরিক্ত সহকারী কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট তানজীল রশিদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাকারিয়া ইসলাম কাঞ্চন এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুনীর হোসেন।
এছাড়া সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট সালমা আফরিন, অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলম, অ্যাডভোকেট ফাতেমা আক্তার, অ্যাডভোকেট মো. মমিনুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মিন্টু, অ্যাডভোকেট মো. নুর হোসেন, অ্যাডভোকেট আঁখি আক্তার, অ্যাডভোকেট আরিফ আহম্মেদ এবং অ্যাডভোকেট সাইফুল বিন আলী।
সহকারী কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. পারভেজ আলম, অ্যাডভোকেট মো. নূর হোসেন বেপারী এবং অ্যাডভোকেট শাহিন আলম।
নতুন এ নিয়োগের মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল, পারিবারিক আপিল আদালত, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সরকারি মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন নবনিযুক্ত আইনজীবীরা।